ইটালীতে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে এই রোতাতোরিয়া

বিশ্বের  ধনী দেশগুলোর মধ্যে ইটালী অন্যতম।জুলাই ২০০৯ সালের আদম শুমারি অনুযায়ী ইটালীর মোট জনসংখ্যা ৫ কোটি ৮১ লক্ষ ২৮ হাজার ২ শত ১২ জন।এছাড়াও রয়েছে প্রায় ৩৫ লক্ষ অভিবাসী।

অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা কত তা বলা মুশকিল।কেননা সরকারী ভাবে এর কোন রেকর্ড নেই।ইটালীতে কাজ সাধারনত তিন সময়ে শুরু হয়ে থাকে।সকাল ৬টা,দুপুর ২টা,রাত ১০টা।এছাড়া সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত অফিস সময়।ইটালির আয়তন অনুযায়ী লোক সংখ্যা তুলনা মূলক কম।তারপরেও বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্তবিভিন্ন অফিস আদালত এবং মার্কেটে কেনাকাটা করা লোকদের ভিড়ে রাস্তা-ঘাট প্রায় স্থবির হয়ে পরে।প্রতিটি সিগন্যালে তৈরী হয় বিশাল লাইন।যার ফলে  সিগন্যালে নষ্ট হয় মুল্যবান অতিরিক্ত কয়েকটা মিনিট।এভাবে ১০টি সিগন্যাল পার হতে ব্যয় হয় প্রয়োজনের অতিরিক্ত ২০/৩০ মিনিট।এটাতো মানা যায় না।অতিরিক্ত সময় ইউরোপে কে কাকে দেয়?বেশ কয়েক বছর আগে সরকার শুরু  করে পরীক্ষামূলক রোতাতোরিয়া বা গোল চত্বর তৈরীর কাজ।এই রোতাতোরিয়াতে প্রতিটি গাড়ি গতিবেগ কমাবে এবং বাম পাশ ফাঁকা পেলেই রোতাতোরিয়া বা গোল চত্বরে ঢুকে পরবে।নষ্ট হলো না কোন সময় কিংবা নষ্ট হলেও কয়েক সেকেন্ড।

প্রতিটি রোতাতোরিয়ার আগে দেখা যাবে এই সিগন্যালটি।এর অর্থ সামনে  রোতাতোরিয়া,ভিতরের গাড়িকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রবেশ করুন।

ব্যাপক সফলতা এলো এই রোতাতোরিয়াতে।পালটে গেলো মানুষের জীবনধারা।ফলাফল যা হবার তাই হলো।এখন ইটালীর প্রায় প্রতিটি ব্যস্ত রাস্তাতেই সিগন্যাল তুলে দিয়ে বসানো হচ্ছে রোতাতোরিয়া।আগে যে রাস্তা গাড়িতে যেতে লাগতো ২০ মিনিট এখন তা লাগে ১০/১২ মিনিট।অদূর ভবিষ্যতে ইটালীতে হয়তো সিগন্যাল বলে কোন জিনিশ থাকবে না।সেখানে জায়গা করে নিবে রোততীরিয়া বা গোলচত্বর।